পশু-পাখি ও প্রাণীদের গল্প শিশুদের কাছে সবসময়ই সবচেয়ে প্রিয়। যখন একটি শিয়াল চতুরতায় সিংহকে হারায়, যখন একটি কচ্ছপ ধীরে হলেও খরগোশকে পেছনে ফেলে, যখন একদল পিঁপড়া একসাথে কাজ করে বিশাল খাবার বহন করে — শিশুদের চোখ বিস্ময়ে জ্বলজ্বল করে ওঠে। চিন্টু অ্যাপের “প্রাণীদের গল্প” বিভাগে রয়েছে একশো একুশটিরও বেশি এমন চমৎকার বাংলা পশু-পাখির গল্প।
প্রাণীদের গল্পের জনপ্রিয়তার পেছনে একটি বড় কারণ হলো শিশুরা প্রাণীদের প্রতি স্বভাবতই আকৃষ্ট। তারা প্রাণীদের কথা বলতে দেখে, মানুষের মতো আচরণ করতে দেখে অত্যন্ত আনন্দ পায়। এই আনন্দের মধ্য দিয়েই গল্পকাররা প্রাণী চরিত্রের আড়ালে মানবজীবনের নানা দিক তুলে ধরেন — লোভ, ঈর্ষা, বুদ্ধিমত্তা, বন্ধুত্ব, বিশ্বস্ততা, ত্যাগ ও সাহসের মতো বিষয়গুলো।
এই বিভাগে পাবেন বিভিন্ন ধরনের প্রাণীদের গল্প। শেয়ালের চতুরতার গল্প, সিংহের সাহসের গল্প, বানরের দুষ্টুমির গল্প, কাকের বুদ্ধিমত্তার গল্প, পিঁপড়ার পরিশ্রমের গল্প, খরগোশের তাড়াহুড়ার গল্প — প্রতিটি প্রাণীর চরিত্রে রয়েছে একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য যা থেকে শিশুরা কিছু না কিছু শেখে। নেকড়ে বাঘের গল্পগুলোতে শিশুরা শেখে অন্যের ক্ষতি করলে নিজেরও ক্ষতি হয়। ভালুকের গল্পে শেখে শক্তি থাকলেও বিনয়ী হতে হয়।
বাংলা সাহিত্যে প্রাণীদের গল্পের একটি দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। পঞ্চতন্ত্রের গল্প, জাতকের গল্প এবং ঈশপের উপকথা — এই তিন ধারার গল্পেই প্রাণী চরিত্র প্রধান ভূমিকায় থাকে। চিন্টু অ্যাপে এই তিন ধারার সেরা গল্পগুলো সহজ বাংলায় অনূদিত ও রূপান্তরিত করে শিশুদের উপযোগী করা হয়েছে।
পশু-পাখির গল্প পড়ার আরেকটি বিশেষ উপকারিতা হলো শিশুদের মধ্যে প্রাণী ও প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও সহানুভূতি তৈরি হয়। যখন একটি শিশু পড়ে যে একটি পাখি তার বাসা হারিয়ে কষ্ট পাচ্ছে, তখন তার মনে প্রাণীদের প্রতি দয়ার অনুভূতি জন্মায়। এটি শিশুকে পরিবেশ সচেতন ও প্রাণীবান্ধব মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
ছোটদের প্রাণীদের গল্পগুলো শুধু পড়ার জন্য নয়, এগুলো শিশুদের সাথে অভিনয় করে বা ছবি এঁকে আরও মজার করে তোলা যায়। গল্পের প্রাণী চরিত্রগুলো অনুকরণ করে শিশুরা যখন খেলা করে, তখন তাদের সৃজনশীলতা ও কল্পনাশক্তি আরও বিকশিত হয়। চিন্টু অ্যাপে প্রাণীদের গল্পের এই বিশাল সংগ্রহে ডুব দিন এবং আপনার শিশুকে প্রাণীজগতের অসাধারণ কাহিনীগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিন।











































