বাবুই পাখির বাসা

বাবুই পাখির বাসা দোলেগাছের ডালে পাতার কোলে।ঝুলছে যেন বোতলখানাবাজার থেকে সদ্য আনা।ঘরের মাঝে রাতটি হলেজোনাক পোকার পিদিম জ্বলে।

পাখি সব করে রব

পাখি সব করে রবরাতি পোহাইল।কাননে কুসুমকলিসকলি ফুটিল।রাখাল গরুর পাললয়ে যায় মাঠে।শিশুগণ দেয় মননিজ নিজ পাঠে।

দোয়েল

দোয়েল পাখি, দোয়েল পাখি,মিষ্টি সুরে উঠলো ডাকি,পেটটি সাদা পিঠটি কালোএই পাখিটি দেখতে ভালো,ফুল কাননে সবুজ বনেশিস দেয় সে আপন মনে।

টুনটুনি

বর্ষা কাটার পরেই যখনচিড়িক চিড়িক শুনি,বুঝতে পারি বাগানে ফেরএসেছে টুনটুনি।ছোট্ট সে একরত্তি পাখি,গাছগাছালির ফাঁকেফুড়ুত-ফুড়ুত ওড়ে সে, আরচিড়িক-চিড়িক ডাকে।

টিয়ে

টিয়ে তোর বাড়ি কোথায় টিয়েরে?রোজ দেখি আকাশেসবুজের পাখা সে।যাবি কি খুকুরে আজ নিয়ে রে?খুকু চায় উড়তেতোর মত ঘুরতেআকাশের নীল পথ দিয়ে রে।টিয়ে তোর বাড়ি কোথায় টিয়ে রে?

একটি পাখি

বহুদূরের পথ পেরিয়ে, বন পেরিয়েএই শহরে আসবে উড়েএকটি পাখি ভালো।তার দুচোখেমায়াপুরীর ছায়া আছেদূর পাতালের স্বপন আছেআছে তারার আলো।

সাইক্লোন

চাল উড়ছে, ডাল উড়ছেউড়ছে গরু, উড়ছে মোষ।খই উড়ছে, বই উড়ছেউড়ছে পাঁজি, বিশ্বকোষ।ময়লা চাদর, ফরসা জামা,উড়ছে খেতের শর্ষে, যব।লক্ষ্মীপ্যাঁচা, পক্ষীছানাঘুরছে, যেন চরকি সব।মাছ উড়ছে, গাছ উড়ছেঘুর্ণি হাওয়া ঘুরছে জোর।খাল ফুলছে, পাল…

সবার আমি ছাত্র

আকাশ আমায় শিক্ষা দিল            উদার হতে ভাই রে,কর্মী হবার মন্ত্র আমি            বায়ুর কাছে পাই রে।পাহাড় শিখায় তাহার সমান-হই যেন ভাই মৌন-মহান,খোলা মাঠের উপদেশে-দিল-খোলা হই তাই রে।সূর্য আমায় মন্ত্রণা দেয়            আপন তেজে জ্বলতে,চাঁদ শিখাল…

বৃষ্টির ছড়া

বৃষ্টি এল কাশ বনেজাগল সাড়া ঘাস বনে,বকের সারি কোথা রেলুকিয়ে গেল বাঁশ বনে৷নদীতে নাই খেয়া যে,ডাকল দূরে দেয়া যে,কোন সে বনের আড়ালেফুটল আবার কেয়া যে৷গাঁয়ের নামটি হাটখোলা,বৃষ্টি বাদল দেয় দোলা,রাখাল…

গ্রীষ্মের দুপুরে

ঘাম ঝরেদরদর          গ্রীষ্মের দুপুরেখাল বিলচৌচির,          জল নেই পুকুরে।মাঠে ঘাটেলোক নেই,          খাঁ খাঁ করে রোদ্দুর।পিপাসায়পথিকের          ছাতি কাঁপে দুদ্দুর।রোদ যেননয়, শুধু          গনগনে ফুলকি।আগুনেরঘোড়া যেন          ছুটে চলে দুলকি।ঝাঁঝ মাখাহাওয়া এসে          ডালে দেয় ঝাপটা!পাতা নড়েফুল পড়ে          বাপরে কি দাপটা!বিল ধারেচিল বসে’          ঘন ঘন…