বিড়াল হাসে গাছের ডালে
বিড়াল হাসে গাছের ডালেইঁদুর হাসে রাতের কালেপাখি হাসে রাঙা ঠোঁটে,খোকার মুখেও হাসি ফোটে।নাচিয়ে খুকীর কানহাসির চোটে দেয় জুড়ে সবরাগ-রাগিনীর গান।
বিড়াল হাসে গাছের ডালেইঁদুর হাসে রাতের কালেপাখি হাসে রাঙা ঠোঁটে,খোকার মুখেও হাসি ফোটে।নাচিয়ে খুকীর কানহাসির চোটে দেয় জুড়ে সবরাগ-রাগিনীর গান।
খোকা যাবে শিকার করতেদূর গাঁয়ের বনে,লাল জুতা লাল মোজাদিলেন বাবা কিনে।কী মারবে— কী করবেঅতটুকু ছেলে?ব্যাঙ মারবে ছুঁতো মারবেসামনে ধরে দিলে।
ঊষা হলো খোকা বলে,দাও না মাগো সেঁজে।পাঠশালায় যায় সাথীরা সব,আমায় বুঝি রেখে।ঘুমের ঘোরে খোকা বলে দাওনামাগো সেঁজে,মুচকি হেসে মায়ে বলে পাগলআমার ছেলে।
কাঠ বিড়ালী! কাঠ বিড়ালী!পেয়ারা তুমি খাও?গুড়-মুড়ি খাও?দুধ-ভাত খাও?বাতাবি-নেবু? লাউ?বিড়াল ছানা? কুকুর ছানা? তাও?ছোঁচা তুমি! তোমার সাথে আড়িআমার! যাও।
ওখানে কে রে?আমি খোকা।মাথায় কী রে?আমের ঝাঁকা।খাসনে কেন রে?দাঁতে পোকা।বিলুস নে কেন রে?ওরে বাবা!
এমন যদি হত—ইচ্ছে হলেই আমি হতামপ্রজাপতির মত।নানান রঙের ফুলের পরেবসে যেতাম চুপটি করে,খেয়াল মত নানান ফুলেরসুবাস নিতাম কত।
মনারে মনা কোথায় যাস?বিলের ধারে কাটবো ঘাস।ঘাস কি হবে?বেচবো কাল,চিকন সুতোর কিনবো জাল।জাল কি হবে?নদীর বাঁকে,মাছ ধরবো ঝাঁকে ঝাঁকে।
টাট্টুকে আজ আনতে দিলামবাজার থেকে শিমমনের ভুলে আনল কিনেমস্ত একটা ডিম। বলল এটা ফ্রি পেয়েছেনেয়নি কোনো দামফুটলে বাঘের ছা বেরোবেকরবে ঘরের কাম। সন্ধ্যা সকাল যখন দেখোদিচ্ছে ডিমে তাডিম ফুটে আজ…
গল্প না ভাই, কল্পনা নয়,স্বপন-বুড়ো এসেআমায় নিয়ে উধাও হোলোসব-পেয়েছির দেশে।স্বপন-বুড়োর লম্বা দাড়ি,পোষাকটি তার রং-বাহারী,আমায় নিয়ে দিচ্ছে পাড়িহাল্কা-হাওয়ায় ভেসে;সব-পেয়েছির দেশে রে ভাই,সব-পেয়েছির দেশে।স্বপন-বুড়ো, রসিক-চূড়োনিদ্-মহলের রাজা,থুরথুরে তার শরীর বটে,মনটি আজও তাজা;সব-পেয়েছির দেশে…
বাবুদের তাল-পুকুরেহাবুদের ডাল-কুকুরেসে কি বাস করলে তাড়া,বলি থাম একটু দাড়া।পুকুরের ঐ কাছে নালিচুর এক গাছ আছে নাহোথা না আস্তে গিয়েয়্যাব্বড় কাস্তে নিয়েগাছে গো যেই চড়েছিছোট এক ডাল ধরেছি,ও বাবা মড়াত…