بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
قُلۡ یٰۤاَیُّهَا الۡکٰفِرُوۡنَ
لَاۤ اَعۡبُدُ مَا تَعۡبُدُوۡنَ
لَاۤ اَنۡتُمۡ عٰبِدُوۡنَ مَاۤ اَعۡبُد
وَ لَاۤ اَنَا عَابِدٌ مَّا عَبَدۡتُّمۡ ۙ
لَاۤ اَنۡتُمۡ عٰبِدُوۡنَ مَاۤ اَعۡبُدُ ؕ
لَکُمۡ دِیۡنُکُمۡ وَلِیَ دِیۡنِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
ক্বুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরুন
লা আ’বুদু মা তা’বুদূন
ওয়ালা আনতুম আ’বিদুনা মা আ’বূদ
ওয়ালা আনা আ’বিদুম্মা আবাত্তুম
ওয়ালা আনতুম আ’বিদুনা মা আ’বুদ
লাকুম দ্বীনুকুম ওয়ালিয়াদ্বীন
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
বলুন: হে কাফিরেরা,
আমি তার ইবাদাত করিনা যার ইবাদাত তোমরা কর,
এবং তোমরাও তাঁর ইবাদাতকারী নও যাঁর ইবাদাত আমি করি,
এবং আমি ইবাদাতকারী নই তার যার ইবাদাত তোমরা করে আসছ,
এবং তোমরা যার ‘ইবাদত করছ আমি তার ‘ইবাদাতকারী হব না’।
তোমাদের জন্য তোমাদের দীন এবং আমার জন্য আমার দীন।
যারা মহান আল্লাহ তায়ালার অস্তিত্ব বিশ্বাস করেনা তাদের কাফের বলা হয়।
একবার মক্কায় একদল কাফের মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে প্রস্তাব দিলো যে, এক বছর তারা আল্লাহর ইবাদত করবে আর এক বছর মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাদের মূর্তির পূজা করবেন।
তারা আরো বললো যে, এরপর সিদ্ধান্ত হবে আল্লাহ বেশি ক্ষমতাশালী নাকি তাদের মূর্তি।
কাফেরদের এই জঘন্যতম প্রস্তাবের উত্তর হিসেবে মহান আল্লাহ তায়াল সূরা কাফিরুন নাযিল করলেন। জিবরাইল (আ.)-এর মাধ্যমে আল্লাহ সূরাটি মহানবী (সা.)-এর কাছে পাঠালেন।
জিবরাইল (আ.) মহানবীর (সা.)-এর কাছে এসে সূরা কাফিরুন পাঠ করলেন। মহানবী (সা.) তা শুনে শুনে কাফেরদের বললেন।
এবং কাফেররা জানতে পারলো যে, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কারো ইবাদত করবেন না।