চিন্টু
অ্যাপে পড়ুন
সূরা

সূরা আশ-শামস / Surah Ash-Shams / الشمس

✍️ চিন্টু সংকলন 🕒 ৩ মিনিট

بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ

وَٱلشَّمۡسِ وَضُحَىٰهَا

وَٱلۡقَمَرِ إِذَا تَلَىٰهَا

وَٱلنَّهَارِ إِذَا جَلَّىٰهَا

وَٱلَّيۡلِ إِذَا يَغۡشَىٰهَا

وَٱلسَّمَآءِ وَمَا بَنَىٰهَا

وَٱلۡأَرۡضِ وَمَا طَحَىٰهَا

وَنَفۡسٖ وَمَا سَوَّىٰهَا

فَأَلۡهَمَهَا فُجُورَهَا وَتَقۡوَىٰهَا

قَدۡ أَفۡلَحَ مَن زَكَّىٰهَا

وَقَدۡ خَابَ مَن دَسَّىٰهَا

كَذَّبَتۡ ثَمُودُ بِطَغۡوَىٰهَآ

إِذِ ٱنۢبَعَثَ أَشۡقَىٰهَا

فَقَالَ لَهُمۡ رَسُولُ ٱللَّهِ نَاقَةَ ٱللَّهِ وَسُقۡيَٰهَا

فَكَذَّبُوهُ فَعَقَرُوهَا فَدَمۡدَمَ عَلَيۡهِمۡ رَبُّهُم بِذَنۢبِهِمۡ فَسَوَّىٰهَا

وَلَا يَخَافُ عُقۡبَٰهَا

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

ওয়াশ শামছি ওয়াদু হা-হা

ওয়াল ক্বমারি ইযা-তালা-হা

ওয়ান নাহারী ইযা-জাল্লা-হা

ওয়াল লাইলি ইযা-ইয়াগশা-হা

ওয়াস সামা-য়ি ওয়ামা-বানা-হা

ওয়াল আরদি ওয়ামা-তাহাহা

ওয়া নাফসিওঁ ওয়ামা-সাওয়া-হা

ফাআলহামাহা-ফুযূর-হা-ওয়া তাকওয়া-হা

ক্বদ আফলাহা মান ঝাক্কা-হা

ওয়া ক্বদ খ-বা মান দাশসা-হা

কায্যাবাৎ ছামূদু বিতাগওয়া-হা

ইযি-ম্বা‘আছা আশক্ব-হা

ফাক্বলা লাহুম রাসূলুল্লা-হি না-ক্বতাল্লা-হি ওয়া সুক্বইয়া-হা

ফাকায্যাবূহু ফা‘আক্বরূহা-ফাদামদামা ‘আলাইহিম রব্বুহুম বিযামবিহিম ফাসাওওয়া-হা

ওয়ালা ইয়াখ-ফু‘উক্ববাহা

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

কসম সূর্যের ও তার কিরণের।

কসম চাঁদের, যখন তা সূর্যের অনুগামী হয়।

কসম দিবসের, যখন তা সূর্যকে প্রকাশ করে।

কসম রাতের, যখন তা সূর্যকে ঢেকে দেয়।

কসম আসমানের এবং যিনি তা বানিয়েছেন।

কসম যমীনের এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন।

কসম নাফসের এবং যিনি তা সুসম করেছেন।

অতঃপর তিনি তাকে অবহিত করেছেন তার পাপসমূহ ও তার তাকওয়া সম্পর্কে।

নিঃসন্দেহে সে সফলকাম হয়েছে, যে তাকে পরিশুদ্ধ করেছে।

এবং সে ব্যর্থ হয়েছে, যে তা (নাফস)-কে কলুষিত করেছে।

সামূদ জাতি আপন অবাধ্যতাবশত অস্বীকার করেছিল।

যখন তাদের সর্বাধিক হতভাগা ব্যক্তিটি তৎপর হয়ে উঠল।

তখন আল্লাহর রাসূল তাদেরকে বলেছিল, “আল্লাহর উষ্ট্রী ও তার পানি পান সম্পর্কে সতর্ক হও।”

কিন্তু তারা তাকে অস্বীকার করল এবং উষ্ট্রীকে যবেহ করল। ফলে তাদের রব তাদের অপরাধের কারণে তাদেরকে সমূলে ধ্বংস করে দিলেন। অতঃপর তা একাকার করে দিলেন।

আর তিনি এর পরিণামকে ভয় করেন না।

কুরআনের অনেক তাফসির গ্রন্থে বলা হয়েছে যে, এই সূরার জন্য নির্দিষ্ট কোনো একক ঘটনার শানে নুযূল সহিহভাবে পাওয়া যায়নি। তবে সূরাটি মক্কার মানুষকে ভালো ও মন্দ সম্পর্কে সতর্ক করার জন্য নাযিল করা হয়েছি।

এই সূরায় আল্লাহ সূর্য, চাঁদ, দিন, রাত, আকাশ ও পৃথিবীর কসম করে মানুষকে মনে করিয়ে দেন যে, আল্লাহ মানুষের ভেতরে ভালো ও মন্দ দুই ধরনের প্রবণতাই রেখেছেন।

এই সূরায় সামুদ জাতির উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। তারা তাদের নবী হজরত সালেহ (আ.)-এর কথা অমান্য করেছিল এবং আল্লাহর পাঠানো বিশেষ উটকে হত্যা করেছিল।

তাই মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাদের কঠিন শাস্তি দিয়েছিলেন।

তথ্য:

Tafsir Ibn Kathir — সূরা আস-শামসের ব্যাখ্যা

Tafsir al-Tabari — সূরা আস-শামস

Tafsir al-Qurtubi — সূরা আস-শামস

এই সূরাটি অ্যাপে শুনুন
তিলাওয়াত ও সঠিক উচ্চারণে শেখো।
চিন্টু
অ্যাপে পড়ুন
আরও মজা · কোনো বিজ্ঞাপন নেই