চিন্টু
অ্যাপে পড়ুন
সূরা

সূরা আল-আ’লা / Surah Al-A’la / الأعلى

✍️ চিন্টু সংকলন 🕒 ৩ মিনিট

بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ

سَبِّحِ ٱسۡمَ رَبِّكَ ٱلۡأَعۡلَى

ٱلَّذِي خَلَقَ فَسَوَّىٰ

وَٱلَّذِي قَدَّرَ فَهَدَىٰ

وَٱلَّذِيٓ أَخۡرَجَ ٱلۡمَرۡعَىٰ

فَجَعَلَهُۥ غُثَآءً أَحۡوَىٰ

سَنُقۡرِئُكَ فَلَا تَنسَىٰٓ

إِلَّا مَا شَآءَ ٱللَّهُۚ إِنَّهُۥ يَعۡلَمُ ٱلۡجَهۡرَ وَمَا يَخۡفَىٰ

وَنُيَسِّرُكَ لِلۡيُسۡرَىٰ

فَذَكِّرۡ إِن نَّفَعَتِ ٱلذِّكۡرَىٰ

سَيَذَّكَّرُ مَن يَخۡشَىٰ

وَيَتَجَنَّبُهَا ٱلۡأَشۡقَى

ٱلَّذِي يَصۡلَى ٱلنَّارَ ٱلۡكُبۡرَىٰ

ثُمَّ لَا يَمُوتُ فِيهَا وَلَا يَحۡيَىٰ

قَدۡ أَفۡلَحَ مَن تَزَكَّىٰ

وَذَكَرَ ٱسۡمَ رَبِّهِۦ فَصَلَّىٰ

بَلۡ تُؤۡثِرُونَ ٱلۡحَيَوٰةَ ٱلدُّنۡيَا

وَٱلۡأٓخِرَةُ خَيۡرٞ وَأَبۡقَىٰٓ

إِنَّ هَٰذَا لَفِي ٱلصُّحُفِ ٱلۡأُولَىٰ

صُحُفِ إِبۡرَٰهِيمَ وَمُوسَىٰ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আ’লা।

আল্লাযী খলাক্ব ফাছাওওয়া।

ওয়াল্লাযী ক্বদ্দার ফাহাদা।

ওয়াল্লাযী আখরজাল মার’আ।

ফাজা’আলাহূ গুছা-আন আহওয়া।

ছানুক্বরিউকা ফালা তানছা।

ইল্লা মা শা-আল্লা-হ, ইন্নাহূ ইয়া’লামুল জাহরা ওয়ামা ইয়াখফা।

ওয়া নুয়্যাসছিরুকা লিল-ইউছরা।

ফাযাক্কির ইন নাফা’আতিল যিকর।

ছাইয়াজ্যাক্কারু মাঁই ইয়াখশা।

ওয়া ইয়াতাজান্নাবুহাল আশক্ব।

আল্লাযী ইয়াছলাল নারল কুবর।

ছুম্মা লা ইয়ামূতু ফীহা ওয়ালা ইয়াহইয়া।

ক্বদ আফলাহা মান তাযাক্কা।

ওয়া যাকারাসমা রব্বিহী ফাসাল্লা।

বাল তু’ছিরূমাল হায়া-তাদ দুনিয়া।

ওয়াল আখিরাতু খাইরুও ওয়া আবক্ব।

ইন্না হাযা লাফিস সুহুফিল ঊলা।

সুহুফি ইবরাহীমা ওয়া মূসা।

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

তুমি তোমার সুমহান রবের নামের তাসবীহ পাঠ কর,

যিনি সৃষ্টি করেন। অতঃপর সুসম করেন।

আর যিনি নিরূপণ করেন অতঃপর পথ নির্দেশ দেন।

আর যিনি তৃণ-লতা বের করেন।

তারপর তা কালো খড়-কুটায় পরিণত করেন।

আমি তোমাকে পড়িয়ে দেব অতঃপর তুমি ভুলবে না।

আল্লাহ যা চান তা ছাড়া। নিশ্চয় তিনি জানেন, যা প্রকাশ্য এবং যা গোপন থাকে।

আর আমি তোমাকে সহজ বিষয় সহজ করে দেব।

অতঃপর উপদেশ দাও যদি উপদেশ ফলপ্রসু হয়।

সে-ই উপদেশ গ্রহণ করে, যে ভয় করে।

আর হতভাগাই তা এড়িয়ে যায়।

যে ভয়াবহ আগুনে প্রবেশ করবে।

তারপর সে সেখানে মরবেও না এবং বাঁচবেও না।

অবশ্যই সাফল্য লাভ করবে যে আত্মশুদ্ধি করবে,

আর তার রবের নাম স্মরণ করবে, অতঃপর সালাত আদায় করবে।

বরং তোমরা দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দিচ্ছ।

অথচ আখিরাত সর্বোত্তম ও স্থায়ী।

নিশ্চয় এটা আছে পূর্ববর্তী সহীফাসমূহে।

ইবরাহীম ও মূসার সহীফাসমূহে।

সূরা আল-আ’লা-এর কোনো শানে নুযূল কোথাও পাওয়া যায়নি। তবে আয়াত ৬-৭ সম্পর্কে তাফসীরে আহসানুল বায়ান-এ বলা হয়-

জিবরাইল (আ.) যখন ওহি নিয়ে আসতেন, তখন তা রাসূল (সা.) তাড়াতাড়ি পড়তে শুরু করতেন; যেনো তিনি আয়াতটি ভুলে না যান।

আল্লাহ তাআলা বললেন, 

“এত তাড়াতাড়ি করার প্রয়োজন নেই। অবতীর্ণকৃত ওহি তোমাকে পাঠ করাবার দায়িত্ব আমার। অর্থাৎ, তোমার মুখে তা সঞ্চালিত করব; ফলে তুমি তা ভুলবে না। তবে আল্লাহ যা চাইবেন, তা ভুলে যাবে।”

কিন্তু মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা এমনটা চাননি। তা-ই মহানবী (সা.)-এর আয়াতগুলো মুখস্থ ছিল।

আবার কেউ কেউ বলেন, এই আয়াতের অর্থ হল এই যে, “যা আল্লাহ মনসূখ (রহিত) করতে চাইবেন, তা তোমাকে ভুলিয়ে দিবেন।” [ফাতহুল ক্বাদীর]

এই সূরাটি অ্যাপে শুনুন
তিলাওয়াত ও সঠিক উচ্চারণে শেখো।
চিন্টু
অ্যাপে পড়ুন
আরও মজা · কোনো বিজ্ঞাপন নেই