হযরত ইসমাইল (আলাইহিস সালাম)

ইবরাহিম (আ.) ও বিবি হাজেরার একমাত্র সন্তান ছিলেন হযরত ইসমাইল (আলাইহিস সালাম)। তিনি ইবরাহিম (আ.)-এর প্রথম সন্তান।

কেন’আন শহরে হিজরতের সময় ইবরাহিম (আ.) মহান আল্লাহর কাছে একজন সৎকর্মশীল সন্তান চেয়েছিলেন। ফলে মহান আল্লাহ ইসমাইল (আ.)-কে তাঁর সন্তান হিসেবে পাঠালেন।

ইসমাইল (আ.) যখন বাবার কাজে সাহায্য সহযোগিতা করার মতো বড় হলেন তখন ইবরাহিম (আ.) স্বপ্নে দেখলেন, তিনি ইসমাইলকে কুরবানি করছেন।

ইবরাহিম (আ.) ছেলেকে বিষয়টি জানাতেই ইসমাইল (আ.) বললেন, “আপনি আল্লাহর আদেশ পালন করুন। নিশ্চয় আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন।”

এই কারণে ইসমাইল (আ.)-কে “যবীহুল্লাহ” বলা হয়, অর্থাৎ আল্লাহর পথে স্বেচ্ছায় জীবন উৎসর্গকারী।

ইসমাইল (আ.) ও তাঁর পিতার হাত দিয়ে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার কাবা ঘরের ভীত নির্মাণ করিয়েছিলেন এবং কাবা ঘর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও তাঁদের উপর দিয়েছিলেন।

আমৃত্যু তাঁরা আল্লাহর এই আদেশ পালন করে গেছেন।

তথ্য:
১। সূরা আস সাফ্‌ফাত, আয়াত (১০০-১১৩) – আল কুরআন সহজ ভাবানুবাদ, শাঈখ হাসান মাহফুজ (অনুবাদক)
২। সূরা আল বাকারা, আয়াত (১২৫-১২৭) – আল কুরআন সহজ ভাবানুবাদ, শাঈখ হাসান মাহফুজ (অনুবাদক)