নবী পরিচিতি
পুরো নাম: হযরত ইদরিস (আলাইহিস সালাম)
পরিচয়: নবী
উপাধি: সিদ্দীক (অত্যন্ত সত্যবাদী)
জন্মস্থান: (নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই)
পিতার নাম: (নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই)
মাতার নাম: (নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই)
পরিবার: (নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই)
আসমানি কিতাব: নেই
যাদের কাছে প্রেরিত: তাঁর জাতির কাছে
কুরআনে উল্লেখ: প্রায় ২ বার
সময়কাল: প্রাচীন যুগের প্রথম দিক
এক লাইনে পরিচয়
হযরত ইদরিস (আ.) ছিলেন সেই নবী, যিনি সত্যবাদিতা ও জ্ঞানের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
আল্লাহ কেনো তাঁকে নবী বানালেন?
মহান আল্লাহ ইদরিস (আ.)-কে নবী বানিয়েছিলেন যেনো তিনি পথভ্রষ্ট মানুষদের সত্যের পথে, এক আল্লাহর পথে ডাকতে পারেন।
ছোটবেলার গল্প
কুরআনে হযরত ইদরিস (আ.)-এর জ্ঞান ও কাজের ব্যাপারে বিশেষভাবে উল্লেখ আছে।
তিনি মানুষকে কলম দিয়ে লিখতে, কাপড় সেলাই করতে এবং জিনিস সঠিকভাবে মাপতে ও ওজন করতে শেখান।
ইদরিস (আ.) লোহা দিয়ে অস্ত্র-শস্ত্র তৈরি করতে পারতেন এবং আমাদেরকে লোহা দিয়ে অস্ত্র বানানো শিখিয়েছিলেন। নিজের তৈরি অস্ত্র দিয়ে ইদরিস (আ.) ক্বাবীল গোত্রের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন।
বিশেষ মুজিযা
১। কলম দিয়ে লেখার জ্ঞান।
২। কাপড় সেলাই করার জ্ঞান।
৩। জিনিসপত্র মাপ ও ওজন করার জ্ঞান।
৪। লোহার অস্ত্র তৈরির জ্ঞান।
শিশু মনের জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন ১: তিনি কেনো “সিদ্দীক” নামে পরিচিত ছিলেন?
উত্তর: কারণ তিনি সব সময় সত্য কথা বলতেন এবং কখনো মিথ্যা বলতেন না।
প্রশ্ন ২: তিনি মানুষকে কী শেখাতেন?
উত্তর: তিনি মানুষকে ভালো কাজ করতে এবং খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকতে শেখাতেন।
প্রশ্ন ৩: তাঁর জন্য সবচেয়ে বিশেষ কী ছিল?
উত্তর: তাঁর সত্যবাদিতা ও জ্ঞান তাঁকে বিশেষ করে তুলেছিল।
প্রশ্ন ৪: এটা কি সত্য ঘটনা?
উত্তর: এই ঘটনাগুলো আল কুরআনে বর্ণিত আছে, যা মুসলমানদের কাছে সত্য।
প্রশ্ন ৫: ইদরিস (আ.) কীভাবে মারা গিয়েছিলেন?
উত্তর: কুরআনে তাঁর মৃত্যুর বিস্তারিত উল্লেখ নেই, তবে বলা হয়েছে যে মহান আল্লাহ তাঁকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন।
ইদরিস (আ.) আমাদের কী শিখিয়েছেন?
১। সত্যবাদিতা — সব সময় সত্য কথা বলা
২। জ্ঞান অর্জন — ভালো জ্ঞান শেখা ও শেখানো
৩। আল্লাহর উপর ভরসা — সব সময় আল্লাহর উপর নির্ভর করা
কুরআনে কোথায় পাব?
১। তাঁর উল্লেখ → সূরা মরিয়ম (১৯)
২। তাঁর মর্যাদা → সূরা আল আম্বিয়া (২১)
শিশুদের সাথে পড়ুন
সূরা মরিয়ম, আয়াত (৫৬-৫৭)
মজার তথ্য
১। তাঁকে “সিদ্দীক” বলা হয়, যার অর্থ অত্যন্ত সত্যবাদী।
২। মহান আল্লাহ তাঁকে উচ্চ মর্যাদা দান করেছেন।
৩। তিনি জ্ঞান ও সত্যের জন্য পরিচিত ছিলেন।