নবী পরিচিতি
পুরো নাম: হযরত ইয়াহিয়া (আলাইহিস সালাম)
পরিচয়: নবী
উপাধি: নেই
জন্মস্থান: বায়তুল মুকাদ্দাস অঞ্চল
পিতার নাম: হযরত যাকারিয়া (আ.)
মাতার নাম: (নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই)
পরিবার: (নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই)
আসমানি কিতাব: নেই
যাদের কাছে প্রেরিত: বনি ইসরাইল
কুরআনে উল্লেখ: প্রায় ৫ বার
সময়কাল: প্রাচীন যুগের শেষাংশ
এক লাইনে পরিচয়
হযরত ইয়াহিয়া (আ.) ছিলেন সেই নবী, যিনি ছোটবেলা থেকেই জ্ঞান ও পবিত্রতার জন্য পরিচিত ছিলেন।
আল্লাহ কেনো তাঁকে নবী বানালেন?
পথভ্রষ্ট মানুষকে সত্যের পথে নিয়ে আসার জন্য মহান আল্লাহ ইয়াহিয়া (আ.)-কে নবী বানিয়েছিলেন।
ছোটবেলার গল্প
হযরত ইয়াহিয়া (আ.) ছোটবেলা থেকেই খুব জ্ঞানী ও ধার্মিক ছিলেন। মহান আল্লাহ তাঁকে অল্প বয়সেই জ্ঞান দান করেন। তিনি সব সময় সত্য কথা বলতেন এবং ভালো কাজ করতেন।
ইয়াহিয়া (আ.) সবসময় মানুষের সাথে নম্রভাবে আচরণ করতেন এবং কখনো অন্যায় কাজ করতেন না।
বিশেষ মুজিযা
মহান আল্লাহ তাঁকে ছোটবেলাতেই অনেক জ্ঞান দান করেছিলেন।
শিশু মনের জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন ১: তিনি কীভাবে ছোটবেলাতেই জ্ঞানী হলেন?
উত্তর: মহান আল্লাহ তাঁকে বিশেষভাবে জ্ঞান দান করেছিলেন।
প্রশ্ন ২: তিনি কেমন স্বভাবের ছিলেন?
উত্তর: তিনি খুব নম্র, সত্যবাদী এবং ভালো মানুষ ছিলেন।
প্রশ্ন ৩: তাঁর জন্য সবচেয়ে বিশেষ কী ছিল?
উত্তর: ছোটবেলা থেকেই তাঁর জ্ঞান ও পবিত্রতা তাঁকে বিশেষ করে তুলেছিল।
প্রশ্ন ৪: এটা কি সত্য ঘটনা?
উত্তর: এই ঘটনাগুলো আল কুরআনে বর্ণিত আছে, যা মুসলমানদের কাছে সত্য।
প্রশ্ন ৫: ইয়াহিয়া (আ.) কীভাবে মারা গিয়েছিলেন?
উত্তর: কুরআনে তাঁর মৃত্যুর বিস্তারিত উল্লেখ নেই।
ইয়াহিয়া (আ.) আমাদের কী শিখিয়েছেন?
১। সত্যবাদিতা — সব সময় সত্য কথা বলা
২। পবিত্রতা — ভালো ও সৎ জীবনযাপন করা
৩। নম্রতা — সবার সাথে ভালো আচরণ করা
কুরআনে কোথায় পাব?
১। জন্মের সুসংবাদ → সূরা মরিয়ম (১৯)
২। তাঁর গুণাবলি → সূরা আলে ইমরান (৩)
শিশুদের সাথে পড়ুন
সূরা মরিয়ম, আয়াত (১২-১৫)
মজার তথ্য
১। “ইয়াহিয়া” নামটি তাঁর জন্য মহান আল্লাহ নির্ধারণ করেছিলেন।
২। তিনি তাওরাত কিতাব অনুসরণ করতেন।
৩। তিনি ঈসা (আ.)-এর সমসাময়িক নবী ছিলেন।