নবী পরিচিতি
পুরো নাম: হযরত আলইয়াসা (আলাইহিস সালাম)
পরিচয়: নবী
উপাধি: নেই
জন্মস্থান: (নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই)
পিতার নাম: (নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই)
মাতার নাম: (নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই)
পরিবার: (নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই)
আসমানি কিতাব: নেই
যাদের কাছে প্রেরিত: বনি ইসরাইল
কুরআনে উল্লেখ: প্রায় ২ বার
সময়কাল: প্রাচীন যুগ
এক লাইনে পরিচয়
হযরত আলইয়াসা (আ.) ছিলেন সেই নবী, যিনি ন্যায় ও সৎ জীবনের জন্য পরিচিত ছিলেন।
আল্লাহ কেনো তাঁকে নবী বানালেন?
ফিলিস্তিনের মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদতের শিক্ষা দিতে মহান আল্লাহ হযরত আলইয়াসা (আ.)-কে নবী হিসেবে পাঠিয়েছেন।
ছোটবেলার গল্প
হযরত আলইয়াসা (আ.) সম্পর্কে কুরআনে খুব সংক্ষিপ্তভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি একজন নেক ও সৎ মানুষ ছিলেন। তিনি মানুষকে ভালো কাজ করতে এবং খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকতে বলতেন।
বিশেষ মুজিযা
আলইয়াসা (আ.)-এর বিশেষ মুজিযার কোনো বর্ণনা কুরআনে পাওয়া যায় না।
শিশু মনের জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন ১: তিনি কেমন মানুষ ছিলেন?
উত্তর: তিনি খুব সৎ ও ন্যায়পরায়ণ মানুষ ছিলেন।
প্রশ্ন ২: তিনি মানুষকে কী শেখাতেন?
উত্তর: তিনি মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদত করতে শেখাতেন।
প্রশ্ন ৩: তাঁর সম্পর্কে কুরআনে সংক্ষিপ্তভাবে বলা হয়েছে কেনো?
উত্তর: কুরআনে সব নবীর জীবনের বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়নি। কিছু নবী সম্পর্কে সংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি তাঁদের মধ্যে একজন।
প্রশ্ন ৪: আলইয়াসা (আ.) কীভাবে মারা গিয়েছিলেন?
উত্তর: কুরআনে তাঁর মৃত্যুর বিস্তারিত উল্লেখ নেই।
আলইয়াসা (আ.) আমাদের কী শিখিয়েছেন?
১। সৎ জীবন — সব সময় ভালো ও সৎ পথে থাকা
২। ন্যায়পরায়ণতা — অন্যায় থেকে দূরে থাকা
৩। আল্লাহর উপর ভরসা — সব সময় আল্লাহর উপর নির্ভর করা
কুরআনে কোথায় পাব?
১। তাঁর উল্লেখ → সূরা আল আনআম (৬)
২। তাঁর গুণাবলি → সূরা স্ব-দ / ছোয়াদ (৩৮)
শিশুদের সাথে পড়ুন
সূরা স্ব-দ / ছোয়াদ, আয়াত (৪৮)
মজার তথ্য
১। তিনি ইউসুফ (আ.)-এর বংশধর ছিলেন।
২। তিনি ইলিয়াস (আ.)-এর চাচাতো ভাই ছিলেন।